অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

জাতীয় কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে সাজা দেওয়া বিচারকের বেআইনি পদোন্নতি বাতিল হল সুপ্রিম কোর্টে


ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ভবন। (ফাইল ছবি)
ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ভবন। (ফাইল ছবি)

নিয়ম ভেঙে প্রমোশন দেওয়া হয়েছিল বিচারক হরিশ হাসমুখভাই ভার্মা সহ ভারতে গুজরাত জুডিশিয়াল সার্ভিসের ৬৮ জন আইন অফিসারকে। শুক্রবার ১২ মে তাঁদের পদোন্নতির সিদ্ধান্ত খারিজ করে দিল দেশের সুপ্রিম কোর্ট। ওই বিচারকদের আগের পদে ফিরে যেতে নির্দেশ দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত ।

প্রাথমিক পর্যবেক্ষণেই রীতিমতো অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের বেঞ্চ একই সঙ্গে গুজরাত হাই কোর্টের ভূমিকাতেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। ওই ৬৮ বিচারকের একজন হরিশ হাসমুখভাই ভার্মা। তিনি সুরাত আদালতের সেই বিচারপতি যিনি গত ২৩ মার্চ মানহানির মামলায় জাতীয় কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে দু’বছর কারাবাসের সাজা দেওয়ায় তাঁর লোকসভার সদস্যপদ চলে গিয়েছে।

সাজা ঘোষণার দিনকয়েক আগে জেলা বিচারক পদে পদোন্নতি করা হয় হরিশ হাসমুখভাই ভার্মা-সহ আরও ৬৭ জন বিচার বিভাগীয় ক্যাডারের আইন অফিসারকে। গুজরাত সরকারের আইন ও বিচার বিভাগের সঙ্গে যুক্ত বিচার ক্যাডারের দুই অফিসার সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকার ও হাইকোর্টের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে অভিযোগ করেন, সম্পূর্ণ নিয়ম ভেঙে এই পদোন্নতি করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট যেন তালিকাটি বাতিল করে।

সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানি ছিল রাহুলকে সাজা দেওয়ার পাঁচদিনের মাথায়, ২৮ মার্চ। শীর্ষ আদালতের দুই বিচারপতি এমআর শাহ ও সিটি রবিকুমারের বেঞ্চ পূর্ণাঙ্গ শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতির ওই তালিকা নিয়ে অগ্রসর হতে নিষেধ করে।

তারপরও তড়িঘড়ি গুজরাত হাইকোর্ট হরিশ হাসমুখভাই ভার্মাকে রাজকোটে বদলি করে দিয়েছে। উচ্চ আদালতের এই নির্দেশেই ক্ষুব্ধ শীর্ষ আদালত।

৬৮ জনের পদোন্নতির ক্ষেত্রে কীভাবে বিতর্কে জড়িয়েছে গুজরাত হাই কোর্টের নাম? জুডিশিয়াল অফিসারদের নিয়োগ, পদোন্নতি, বদলি রাজ্য সরকার ও হাইকোর্ট আলোচনা করে ঠিক করে। সুপ্রিম কোর্ট তাই মামলায় গুজরাত হাইকোর্ট এবং রাজ্য সরকারের কাছে হাসমুখভাই সহ অন্যান্যদের পদোন্নতি সংক্রান্ত ফাইল তলব করে। শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এমআর শাহর বেঞ্চ বলে সম্পূর্ণ নিয়ম ভেঙে এই পদোন্নতি করা হয়েছে। পদোন্নতির নির্দেশ বাতিল করা হল

XS
SM
MD
LG